1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. stsauto2@gmail.com : শেষ আলো : শেষ আলো
শিরোনাম :
 বেরোবি-র  উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ৪৬ অভিযোগ সিলেটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা ২৮ জন যাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ বিশ্বকাপ সুপার লিগে শুরুতে জিতে ১০ পয়েন্ট পেলো বাংলাদেশ আলোচিত সাবেক এমপি আউয়াল ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ পূর্বপুরুষের দেশ কলকাতা এসে অভিনেত্রী বনিতা সান্ধু জানলেন, তিনি কোভিড আক্রান্ত নতুন ইতিহাসঃ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সম্পাদক ইলিয়াস খান ফাইজার ভ্যাকসিন গ্রহণের ১ সপ্তাহ পর নার্স করোনা পজিটিভ সরকার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য শীঘ্রই অধ্যাদেশ জারি করবে বাংলাদেশ ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের প্যানডেমিক প্যাকেজে ট্রাম্পের সই

এগিয়ে যাও মন্দের ভালো প্রেসিডেন্ট ওবামা

  • Update Time : Wednesday, November 7, 2012
  • 198 Time View

৬নভেম্বর ২০১২ (শেষআলো ডটকম):সৈয়দ আতাউর রহমান কবির – যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন যে এ মুহূর্তের ‘‘টক অব দ্য ওয়ার্ল্ড” তা কে না জানে ! কেননা বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর এই দেশে রাষ্ট্র পরিচালনা বা পররাষ্ট্রসম্পর্কিত যেকোনো নীতি বা সিদ্ধান্ত বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলের মানুষের দৈনন্দিন জীবনকেও প্রভাবিত করতে সক্ষম। সেই ‘মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে সত্যিই হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হবে’, লড়াই শেষে যে রেজাল্ট হবে তাতে ওবামাকে প্রেসিডেন্ট হওয়া উচিত। কারন- স্বাস্থ্যসেবা, অভিবাসন, জাতীয় নিরাপত্তা/প্রতিরক্ষা, ইরান তথা পররাষ্ট্র নীতি ক্ষেত্রে রমনির চেয়ে ওবামার নীতি অনেক স্মার্ট ।

স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বীমা করতে অক্ষমদেরও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে চান ওবামা। এজন্য সরকারি অনুদানও দিতে চান তিনি। কিন্তু রমনি তার এ নীতি বাতিলের পক্ষে।

ওবামা অবৈধ তরুণ অভিবাসীদের বৈধতা দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছেন। কিন্তু রমনি এর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

ওবামা দেশের সামরিক ব্যয় কমাতে চান। ইরাক থেকে তিনি সেনা সরিয়েছেন। আফগানিস্তান থেকেও সেনা সরাতে চান তিনি। অন্যদিকে, রমনি চান সামরিক ব্যয় বাড়াতে।

ওবামা ইরানকে থামাতে এখনই যুদ্ধে যেতে আগ্রহী নন। তিনি এখনো আলোচনা চালাতে চান। আলোচনায় বসতে ইরানকে বাধ্য করতে দেশটির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের পক্ষে তিনি। কিন্তু রমনি ইরানকে থামাতে এখনই দেশটিতে হামলা চালানোর পক্ষে।

সর্বশেষ জনমত জরিপ অনুযায়ী, ওবামা ও রমনির প্রতি জাতীয় পর্যায়ে সমর্থন যথাক্রমে ৪৮ ও ৪৭ শতাংশ। জনমত জরিপের ফলে আরও দেখা যাচ্ছে, নারীদের মধ্যে প্রেসিডেন্ট ওবামার সমর্থন রমনির চেয়ে বেশি—ওবামা ৫১ শতাংশ, রমনি ৪৩ শতাংশ। পুরুষদের মধ্যে রমনির সমর্থন ৫১ শতাংশ, ওবামার ৪৪ শতাংশ। কৃষ্ণাঙ্গ বা লাতিনোদের মতো সংখ্যালঘুদের মধ্যে ওবামার জনপ্রিয়তা রমনির চেয়ে ৫৯ পয়েন্ট বেশি, শ্বেতাঙ্গদের মধ্যে রমনি এগিয়ে আছেন ২০ পয়েন্টে। তরুণ ভোটারদের মধ্যে ওবামার সমর্থন রমনির চেয়ে ৩৫ পয়েন্ট বেশি, বয়স্কদের, বিশেষত ৬৫ বছরের বেশি বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে রমনি এগিয়ে আছেন ১২ পয়েন্টে। এই জনগোষ্ঠীর কোন অংশ শেষ পর্যন্ত বেশি সংখ্যায় ভোট দেয়, বিশেষত দোদুল্যমান অঙ্গরাজ্যগুলোতে, তার ওপরই ফলাফল নির্ভর করবে বলে ধারণা করা হলেও আমি মনেকরি ওবামা সরকার গত চারবছরে নতুন করে কোন দেশের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হননাই। আর শুধু এই কারনেই ওবামাকে আমেরিকানদের বিজয়ী করা উচিত।

মঙ্গলবার গ্লোবাল টাইমস এবং সিনা ওয়েইবো-র (যা অনেকটা টুইটারেরই চীনা সংস্করণ) জরিপে দেখা গেছে, চীনারা মিট রমনির তুলনায় প্রেসিডেন্ট ওবামাকেই বেশি পছন্দ করে। মঙ্গলবার বিকাল পর্যন্ত গ্লোবাল টাইমস এর জরিপে দেখা যাচ্ছে যে, সাড়ে চার হাজারেরও বেশি উত্তরদাতার মধ্যে ৮১ শতাংশ ওবামাকে প্রেসিডেন্ট হিসাবে চায়।

অন্য দিকে‘যিনিই আসুক, ভারতের স্বার্থ একই রকম থাকবে’এমন ধারনার মাধ্যম ভারতের সমর্থন দুই প্রার্থীর দিকে বুঝা গেলেও আফগানরা চায় ওবামাকে, পাকিস্তানিরা রমনিকে। ইসরাইলের চাওয়া সরাসরি রমনিকে। বাংলাদেশের অবস্থান ওবামার সমালোচনার মধ্যেই শুধু সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বাংলাদেশের রায্ট্রদূত আঃ মোমেন পত্রিকান্তরে সাক্ষাতকারের বলছেন, “ওবামা প্রশাসনের কিছু ব্যক্তির সঙ্গে বাংলাদেশের কিছু মনোমালিন্য হয়েছে৷ অন্যদিকে রমনি ক্ষমতায় এলে নতুন সূচনা ঘটতে পারে”৷ কিন্তু বাস্তবে‘বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত ভোটাররা বাংলাদেশের রায্ট্রদূত আঃ মোমেনের সাথে একমত নয়।বরং তারা ওবামার দিকেই ঝুঁকছেন’ এবং এক যোগে ওবামাকে সাপোর্ট দিয়ে যাচ্ছেন। হাতে গোনা কয়েকটা দেশ বাদে গোটা পৃথিবী ঝুঁকে আছে ওবামার দিকে৷ সম্ভাবনা যে অ্যামেরিকার পরবর্তী প্রেসিডেন্ড হবেন ওবামা কেননা গত চার বছরে ওবামা বড়মাত্রার কোন ভুলই করেন নাই যা মানুষ মনে রাখবে।

‘উইনার টেক অল’ পদ্ধতির নির্বাচন

নির্বাচনী পদ্ধতি অনুযায়ী প্রেসিডেন্ট সরাসরি জনগণের ভোটে (পপুলার ভোট) নির্বাচিত হন না। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে হলে একজন প্রার্থীকে ৫৩৮টি ইলেকটোরাল কলেজ (নির্বাচকমণ্ডলী) ভোটের মধ্যে ২৭০টি ভোট পেতে হয়। অঙ্গরাজ্যগুলোর জনসংখ্যা অনুপাতে ইলেকটোরাল ভোটের সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়। যে প্রার্থী যে অঙ্গরাজ্যে সংখ্যাগরিষ্ঠ পপুলার ভোট পাবেন, তিনিই সে রাজ্যের সব কটি ইলেকটোরাল কলেজ ভোট পাবেন। এ কারণে বিষয়টি পরিচিত ‘উইনার টেক অল’ হিসেবে।

যে কয়েকটি অঙ্গরাজ্যকে দোদুল্যমান বলে মনে করা হচ্ছে, তার মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ তিনটি ফ্লোরিডা, ওহাইও এবং ভার্জিনিয়াতে জনমত জরিপে প্রেসিডেন্ট ওবামা এগিয়ে আছেন। তবে এগুলোতে তীব্র লড়াই হবে বলেই সবার অনুমান। ওবামার দিকে ঝুঁকে থাকা কোনো রাজ্যে নাটকীয় পরিবর্তন না ঘটলে এর যেকোনো একটি রাজ্যের ভোট পেলেই তিনি বিজয়ী হবেন। তবে রমনির জন্য ফ্লোরিডা জেতা অবশ্যই দরকার।

সিনেট নির্বাচন

১০০ আসনবিশিষ্ট সিনেটের সদস্যদের মেয়াদ ছয় বছরের, কিন্তু প্রতি দুই বছরে এক-তৃতীয়াংশ আসনে নির্বাচন হয়। সে হিসাবে এবার ৩৩টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে। এখন সিনেটে ডেমোক্র্যাটরা সংখ্যাগরিষ্ঠ, তাঁদের আসন হলো ৫১। তাঁদের সঙ্গে আছেন আরও দুজন, যাঁরা নির্দলীয়। রিপাবলিকানদের আসনসংখ্যা ৪৭। এবার যে ৩৩টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে, তার ২১টিতে এখন ডেমোক্র্যাট সদস্যরা আছেন। অন্যদিকে রিপাবলিকানদের হাতে থাকা ১০টি আসনে নির্বাচন হচ্ছে। নির্দলীয় ব্যক্তিরা আসীন, এমন দুটি আসনেই নির্বাচন হচ্ছে। ডেমোক্র্যাটদের ২১টি আসনের ১৫টিতে বর্তমানে যিনি সদস্য, তিনি পুনর্নির্বাচনের প্রার্থী, ছয়টি আসনের সদস্যরা অবসর নিচ্ছেন। রিপাবলিকানদের ১০টি আসনের মধ্যে মাত্র তিনজন অবসর নিচ্ছেন। নির্দলীয় দুজনের একজন অবসর নিচ্ছেন। স্থানীয় পর্যায়ের বিভিন্ন জনমত জরিপের ভিত্তিতে বলা যায়, কিছু আসনের হাতবদল ঘটলেও শেষ পর্যন্ত সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের বর্তমান সংখ্যাগরিষ্ঠতা বহাল থাকবে। কারও কারও অনুমান, ডেমোক্র্যাটরা একটা আসন বাড়াতেও পারে। সিনেটে ডেমোক্র্যাটদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকার কারণেই গত দুই বছর প্রেসিডেন্ট ওবামা তাঁর নেওয়া অনেক পদক্ষেপ টিকিয়ে রাখতে পেরেছেন। এসব আসনের মধ্যে যে কিছু আসন বিশেষভাবে মনোযোগ আকর্ষণ করেছে, তার একটি হলো ম্যাসাচুসেটসের একটি আসন। টেড কেনেডির মৃত্যুর পর এই আসন রিপাবলিকানরা জিতে নেয়। এবার নির্বাচনে ডেমোক্র্যাটরা আসনটি ফিরে পেতে চায়। ২০১০ সালে সিনেটের ৩৪টি আসনে নির্বাচন হয়েছিল। সে সময় ডেমোক্র্যাটরা ছয়টি আসন হারায়।

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের নির্বাচন

কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের মোট আসন হলো ৪৩৫টি। সব আসনেই নির্বাচন হচ্ছে। এখন প্রতিনিধি পরিষদে রিপাবলিকানদের আসনসংখ্যা হলো ২৪১, ডেমোক্র্যাটদের ১৯১। গত নির্বাচনে রিপাবলিকানদের মধ্যকার তুলনামূলকভাবে বেশি রক্ষণশীল ‘টি পার্টি’র সমর্থকেরা বড় সংখ্যায় জিতে নিজ আসনে এবং দলের ওপর তাঁদের প্রভাব বিস্তার করতে সক্ষম হন। এই নির্বাচনে রিপাবলিকানরা প্রতিনিধি পরিষদে তাঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা হারাবেন এমন কোনো আশঙ্কা নেই মোটেই। তবে জনমত জরিপ এবং নির্বাচন বিশ্লেষকেরা বলছেন, ডেমোক্র্যাটরা যদিও তাঁদের এখনকার সব কটি আসন দখলে রাখতে পারবেন না, তবে সব মিলে হাতবদলের মাধ্যমে সম্ভবত তাঁরা পাঁচটি আসন বেশি লাভ করবেন।

গভর্নর নির্বাচন

যুক্তরাষ্ট্রের ৫০টি অঙ্গরাজ্য এবং টেরিটোরিতে আছেন নির্বাচিত গভর্নর। তার মধ্যে ২৯ জন রিপাবলিকান, ২০ জন ডেমোক্র্যাট, একজন নির্দলীয়। নির্বাচন হবে ১১টিতে। মাত্র তিনটিকে মনে করা হচ্ছে প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক। বাকিগুলোর মধ্যে চারটিতে সামান্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের পাশাপাশি কংগ্রেস বা সংসদের দুই কক্ষেও ব্যাপক রদবদল ঘটতে পারে এই দিনে৷ অর্থাৎ যিনিই প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হোন না কেন, তাঁকে কংগ্রেস-এর ক্ষমতার উপর নির্ভর করতে হবে৷

এই লেখা প্রকাশ হওয়ার আগেই নির্বাচনের ছোট ছোট যে ফলাফল দেখা গেছে তাতে ওবামা এগিয়ে । তাই কামনা এভাবে ই এগিয়ে যাও মন্দের ভালো ওবামা ।

 

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 sheshalo
Site Customized By NewsTech.Com