1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. stsauto2@gmail.com : শেষ আলো : শেষ আলো
শিরোনাম :
 বেরোবি-র  উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ৪৬ অভিযোগ সিলেটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা ২৮ জন যাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ বিশ্বকাপ সুপার লিগে শুরুতে জিতে ১০ পয়েন্ট পেলো বাংলাদেশ আলোচিত সাবেক এমপি আউয়াল ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ পূর্বপুরুষের দেশ কলকাতা এসে অভিনেত্রী বনিতা সান্ধু জানলেন, তিনি কোভিড আক্রান্ত নতুন ইতিহাসঃ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সম্পাদক ইলিয়াস খান ফাইজার ভ্যাকসিন গ্রহণের ১ সপ্তাহ পর নার্স করোনা পজিটিভ সরকার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য শীঘ্রই অধ্যাদেশ জারি করবে বাংলাদেশ ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের প্যানডেমিক প্যাকেজে ট্রাম্পের সই

বিবিসি সংকট ও ব্রিটেনের গণমাধ্যম

  • Update Time : Saturday, November 17, 2012
  • 190 Time View

১৭ নভেম্বর ২০১২ (শেষআলো ডটকম) : সারা পৃথিবীর মত বাংলাদেশেও আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম হিসিবে বিবিসি অত্যন্ত পরিচিত একটি নাম। বিশ্বাসযোগ্যতার বিচারে শ্রোতা-দর্শকদের কাছে বিবিসির অবস্থান অনেক ওপরে। কিন্তু এই বিবিসিতে এখন দেখা দিয়েছে সংকট। বিবিসিকে জড়িয়ে এই যে বিতর্ক, সমালোচনা চলছে – তাতে বাংলাদেশে বিবিসির শ্রোতা-দর্শক এবং মিডিয়া জগতের লোকজন মর্মাহত হয়েছেন । কারন বাংলাদেশ নামক এই দেশটির ইতিহাসের সাথে এই বিবিসির বাংলাবিভাগের নাম ও ব্যাপক ভূমিকার কথা স্বর্নাক্ষরে লেখা আছে ।

নিরপেক্ষতা এবং যথার্থতা – সংবাদ প্রকাশের ক্ষেত্রে বিবিসি দীর্ঘকাল এই শব্দ দুটির মর্যাদা রক্ষা করেছে, অন্তত অনেকে এমনটাই মনে করেন৷ কিন্তু সম্প্রতি একের পর এক কেলেঙ্কারি বিবিসি’র এই অবস্থানকে করেছে প্রশ্নবিদ্ধ৷

সংকটের শুরু -বিবিসি’র একসময়কার ‘ডার্লিং’ খ্যাত তারকা উপস্থাপক জিমি সেভিলের যৌন কেলেঙ্কারি বিষয়ক খবর নিয়ে ৷ অভিযোগ, বিবিসি সেভিলের যৌন কেলেঙ্কারির সংবাদ চেপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল ৷ এই ঘটনার ধাক্কা সামলানোর আগেই আরেক রাজনীতিবিদের বিরুদ্ধে ভুল সংবাদ প্রকাশের অভিযোগ ওঠে সংবাদমাধ্যমটির বিরুদ্ধে৷ বিষয়টি এমন পর্যায়ে গিয়ে দাঁড়ায় যে, পদত্যাগ করেন বিবিসি’র মহাপরিচালক জর্জ এন্টউইসল ৷ এছাড়া সংস্থাটির উচ্চ পর্যায়ের আরো একাধিক ব্যক্তি সরে দাঁড়িয়েছেন ৷

জিমি সেভিলের বিরুদ্ধে অভিযোগ মারাত্মক ৷ কর্মজীবনে অসংখ্য নারী এবং শিশুর ওপর যৌন নিপীড়ন চালিয়েছেন তিনি ৷গত বছরের অক্টোবরে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান সেভিল ৷এরপর বিবিসি’র নিউজনাইট অনুষ্ঠানের সাংবাদিকরা সেভিলের শিশু নিগ্রহের বিষয়টি নিয়ে অনুসন্ধান শুরু করেন৷ কিন্তু তাদের সেই অনুসন্ধানের ভিত্তিতে তৈরি প্রতিবেদন আর আলোর মুখ দেখেনি ৷বরং বিবিসি ক্রিসমাসে সেভিলের বর্ণময় জীবন নিয়ে অনুষ্ঠান প্রচার করেছে, যাকে কিনা এখন ব্রিটেনের সবেচেয়ে বড় যৌন নিগ্রহকারী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে ৷

কেলেঙ্কারি চাপা দেওয়াই কাল: ঘটনা আশির দশকের৷ অভিযুক্ত মৃত ৷তাই নিয়েই চলছে দারুণ তোলপাড়৷ ব্যাপক যৌন নিপীড়নের ঘটনা চাপা দেয়ায় বিবিসির বিরুদ্ধে ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রীও এখন সরব৷

দর্শক-শ্রোতাদের সামনে হাজির হতেন চকচকে ট্র্যাকস্যুট, ঝকমকে সোনার চেইন, আংটি পরে৷ সবসময় ঠোঁটে থাকতো সিগার৷ ষাটের দশক থেকে আশির দশক পর্যন্ত ছিলেন বিবিসি টেলিভিশনের তারকা উপস্থাপক৷ নাম জিমি স্যাভেল৷ দু তিন মাস আগে তাঁর নামের এইটুকু বললে কেউ কেউ নিশ্চয়ই আপত্তি করতেন৷ স্যার জেমস উইলসন ভিনসেন্ট স্যাভেল – এত বড় নাম থেকে ‘স্যার’ বাদ দেয়া বড় ভুল হিসেবেই গণ্য হতো! যে কেউ চাইলেও কি ‘স্যার’ হতে পারেন? কিন্তু জিমি স্যাভেল এমনই অপকর্ম করেছেন বলে খবর যে এখন সুকীর্তির জন্য ব্রিটিশ রাজের খেতাব পাওয়ার ব্যাপারটি ব্রিটিশদেরই ফেলছে লজ্জায়৷

তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগটা মারাত্মক৷ কর্মজীবনে অসংখ্য নারীর ওপর যৌন নিপীড়ণ চালানো৷ অভিযোগ উঠেছিল আগেই৷ সত্তরের দশকে লন্ডনের অদূরে সারে-তে পুলিশ চারটি অভিযোগের তদন্ত শুরু করেছিল৷ পরে আইনজীবীরা তাঁর বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো অভিযোগ না আনার সিদ্ধান্ত নেন৷ বিবিসিও পুরোপুরি চেপে যায় ব্যাপারটা৷ গত বছরের অক্টোবরে ৮৪ বছর বয়সে মারা যান স্যাভেল৷ সাবেক কর্মস্থল তাঁর প্রতি আরো সহানুভূতি দেখায় তারপর৷ যত তোলপাড় সে কারণেই৷

জিমি সেভিল

পুরো ব্যাপারটি ফাঁস করে দেয় আইটিভি৷ বিবিসির প্রতিপক্ষ হিসেবে নিজেদের মোটামুটি প্রতিষ্ঠিত করে ফেলা আইটিভির কাছে বেশ কয়েকজন নারী সবিস্তারে জানান স্যাভেলের হাতে নিগৃহীত হওয়ার কথা৷ তা জানাজানি হবার পর থেকেই বিবিসিকে নিয়ে শুরু হয়ে গেছে তুমুল উত্তেজনা৷

বুধবার ডেভিড ক্যামেরনও তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বিষয়টি নিয়ে৷ সত্যকে আড়াল করার কারণে বিশ্বখ্যাত প্রচারমাধ্যমটির নিন্দা করে ঘটনা নতুন করে তদন্ত করা হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি৷

এদিকে ব্রিটেনের সরকারের প্রতি আবার নিজেদের অসন্তোষের কথা জানিয়ে দিয়েছে বিবিসি৷ সংস্থার ট্রাস্টি চেয়ারম্যান ক্রিস প্যাটেন সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়কে একটি চিঠি লিখেছেন, সেখানে তিনি বিবিসির স্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ না করার অনুরোধ জানিয়েছেন সরকারকে৷ এর আগে এমন কলঙ্কজনক ঘটনার জন্য সংসদে উপস্থিত হয়ে জবাবদিহি করতে হয়েছে জর্জ এন্টউইসলকে৷ বিবিসি মহাপরিচালক অবশ্য স্যাভেলের বিরুদ্ধে তদন্ত না করার ব্যাপারে নিজেকে নির্দোষ বলেই দাবি করেছেন৷

আরেকটি অভিযোগ আছে তাঁর বিরুদ্ধে৷ স্যাভেল মারা যাওয়ার পর যৌন নিপীড়নের অভিযোগের কথা মনে করিয়ে দেয়া হয়েছিল তাঁকে, বলা হয়েছিল এমন অভিযোগ যাঁর বিরুদ্ধে, তাঁর সম্মানে বিশেষ অনুষ্ঠান করা ঠিক হবে কিনা ভেবে দেখতে৷ এন্টউইসলকে কথাটা বলেছিলেন বিবিসির হেড অফ নিউজ হেলেন বোয়াডেন৷ তখনও বিষয়টিকে গুরুত্ব না দেয়ায় বিবিসি মহাপরিচালকের পদত্যাগ করা উচিত, তাঁর সাজা হওয়া উচিত – এমন দাবিও উঠেছে৷

বিবিসি’র পদত্যাগী মহাপরিচালক

এদিকে বিবিসির সাবেক মহাপরিচালক মার্ক থম্পসনকেও সংসদে উপস্থিত হয়ে ঘটনাটি সম্পর্কে তাঁর ভূমিকা পরিষ্কার করতে বলেছেন কয়কেজন আইন প্রণেতা৷ সঙ্গে সঙ্গেই এক চিঠিতে তাঁর জবাব দিয়েছেন থম্পসন৷ নিজেকে নির্দোষ দাবি তো করেছেনই, সঙ্গে আরো জানিয়েছেন, সংসদ চাইলে যে কোনো সময় হাজির হবেন তিনি৷ এন্টউইসলের আগে বিবিসির মহাপরিচালক ছিলেন মার্ক থম্পসন৷ আগামী নভেম্বরেই প্রধান নির্বাহী হিসেবে তাঁর দ্য নিউইয়র্ক টাইমসে যোগ দেয়ার কথা৷

দায় স্বীকার করে পদত্যাগ: সাবেক রাজনীতিকের বিরুদ্ধে যৌন নির্যাতনের ভুল খবর পরিবেশনের দায় স্বীকার করে পদত্যাগ করেছেন বিবিসি’র মহাপরিচালক ও প্রধান সম্পাদক৷ এরপর বিবিসি ট্রাস্ট’এর চেয়ারম্যান বিবিসিতে সংস্কারের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেছেন৷

বিবিসি টেলিভিশনের চলতি ঘটনা বিষয়ক নিয়মিত অনুষ্ঠান ‘নিউজনাইট’৷ সপ্তাহের পাঁচ কার্যদিবসের রাতে এটি প্রচারিত হয়৷ এছাড়া গত ২ নভেম্বর প্রচারিত বিবিসি’র এক অনুষ্ঠানে শিশুদের ওপর যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সাথে কনসারভেটিভ পার্টির একজন সাবেক কোষাধ্যক্ষ লর্ড ম্যাকঅ্যালপাইন-কে ভুলভাবে জড়িত করে নিউজনাইট অনুষ্ঠান প্রচারিত হয়। অথচ সেই প্রতিবেদনে অভিযুক্ত ব্যক্তির কোনো মন্তব্য ছিল না৷ পরে দেখা যায়, অভিযোগটা মিথ্যা৷ফলে শুরু হয় তোলপাড়৷ কেননা যাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছিল তিনি সাবেক ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী মার্গারেট থ্যাচারের সঙ্গে খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন৷ বিষয়টি সুরাহায় ভুক্তভোগীকে ১৮৫,০০০ পাউন্ড ক্ষতিপূরণ দিতে সম্মত হয়েছে বিবিসি৷ ঐ প্রতিবেদনের জের ধরে প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক জর্জ এন্টউইসল পদত্যাগ করেছেন।

এই ঘটনার আগে থেকেই বিবিসির ভূমিকা প্রশ্নের মুখে ছিল৷ কেননা বিবিসি তথা পুরো ব্রিটেনেরই বিখ্যাত উপস্থাপক জিমি স্যাভিলের বিরুদ্ধে থাকা শিশু ও নারী নির্যাতনের ঘটনা চেপে গিয়েছিল বিবিসি৷নিউজনাইটের প্রতিবেদন ‘নিম্নমানের’ সাংবাদিকতা: বিবিসি ট্রাস্ট চেয়ারম্যান

ঘটনাটা হচ্ছে, ব্রিটেনে বিবিসি’র প্রতিদ্বন্দ্বী আইটিভি তাদের এক প্রতিবেদনে জানায় যে, জিমি স্যাভিল বিবিসিতে কাজ করার সময় প্রায় ৩০০ জন শিশু ও তরুণীকে যৌন হয়রানি করেছেন৷ এর কিছু কিছু ঘটনা বিবিসিতেও ঘটেছে৷

এ সংক্রান্ত একটি ডকুমেন্টারি গত বছর বিবিসিতে প্রচারের জন্য জমা দেয়া হয়েছিল৷ কিন্তু সেসময় জিমি স্যাভিল মারা যাওয়ায় ডকুমেন্টারিটি আর প্রচার না করার সিদ্ধান্ত নেয় বিবিসি ৷ উল্টো স্যাভিলের প্রশংসা করে তারা ৷

স্যাভিলের ঘটনা যখন ঘটে তখন বিবিসি টিভি’র প্রধান ছিলেন জর্জ অ্যান্টউইসল ৷ এই একই ব্যক্তি দু’মাস আগে বিবিসি’র মহাপরিচালক নির্বাচিত হন৷

সাবেক রাজনীতিকের বিরুদ্ধে যে প্রতিবেদনটি প্রচারিত হয়েছে তা তিনি জানতেন না বলে দাবি করেছেন অ্যান্টউইসল৷ তবে তিনি যেহেতু সংস্থার প্রধান তাই দোষটা নিজেরই বলে মন্তব্য করেন তিনি৷ এরপর শনিবার দিন শেষে নিজের পদত্যাগের ঘোষণা দেন অ্যান্টউইসল৷ সেসময় তিনি বলেন, নিউজনাইটের প্রতিবেদনটি ৯০ বছর ধরে বিবিসি’র উপর মানুষের যে বিশ্বাস তাকে ক্ষতিগ্রস্ত করেছে৷ তাই পদত্যাগ করাটাই সম্মানের বলে মন্তব্য তাঁর৷

আবারো প্রশ্নবিদ্ধ ব্রিটেনের গণমাধ্যম: অ্যান্টউইসল যখন সাংবাদিকদের সামনে কথা বলছিলেন তখন পাশে ছিলেন বিবিসি ট্রাস্ট এর চেয়ারম্যান ক্রিস প্যাটেন৷ তিনি নিউজনাইটের প্রতিবেদনকে ‘নিম্নমানের’ সাংবাদিকতা বলে মন্তব্য করেন৷ এবং এরপরই বিবিসি’তে ব্যাপক পরিবর্তন আনার কথা বলেন৷

প্যাটেন বলেন, বিবিসিতে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে তাতে প্রতিদ্বন্দ্বীরা, বিশেষ করে রুপার্ট মার্ডকের প্রতিষ্ঠানগুলো বেশি খুশি হবে৷ এবং তারা এ থেকে সুবিধা নেয়ার চেষ্টা করবে৷

বিবিসি’র এসব সংকট ও কেলেঙ্কারি সামগ্রিকভাবে ব্রিটেনের আধুনিক গণমাধ্যম চর্চাকেই আবারো প্রশ্নবিদ্ধ করেছে৷ এমনিতেই ফোন-হ্যাকিং কেলেঙ্কারির কারণে সেদেশের প্রিন্ট মিডিয়া গত ১৮ মাস ধরে চাপের মুখে আছে৷ সংবাদ সংগ্রহের ক্ষেত্রে ট্যাবলয়েড পত্রিকাগুলোর নোংরামির একটি উদাহরণ হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ফোন-হ্যাকিং কেলেঙ্কারিকে ৷ বিষয়টি নিয়ে এখন তদন্ত চলছে যার নেতৃত্ব দিচ্ছেন লর্ড জাস্টিস লেভিসন৷

ব্রিটিশ মিডিয়া থিঙ্কট্যাংক খ্যাত ‘দ্য ইন্সটিটিউট অফ আইডিয়াস’-এর পরিচালক ক্লারা ফক্স মনে করেন, বিবিসি এবং ফোন হ্যাকিং কেলেঙ্কারিকে আলাদাভাবে দেখার সুযোগ নেই৷ এবং এসবের কারণে ভবিষ্যতে গণমাধ্যমের উপরে আরো কড়া বিধিনিষেধ চালু হতে পারে৷

ব্রিটিশ গণমাধ্যমের এই অবস্থা দেখে উদ্বিগ্ন ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের পরিচালক চন্দু কৃষণও৷ তিনি মনে করেন, লেভিসন তদন্তে দুটি প্রাথমিক সমস্যা ধরা পড়েছে: প্রথমত মিডিয়ার একটি নির্দিষ্ট অংশের সঙ্গে রাজনৈতিক দলগুলোর মাত্রাতিরিক্ত সম্পর্ক রয়েছে, আর দ্বিতীয়ত গণমাধ্যমের মালিকানা নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের একাগ্রতা৷ গণমাধ্যমের সঙ্গে রাজনীতিবিদদের সম্পর্ক মাঝে মাঝে যে মাত্রা ছাড়িয়ে যায় সেটা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরনও স্বীকার করেছেন৷ লর্ড লেভিসনের সামনে সাক্ষ্য প্রদানের সময় একথা স্বীকার করেন ক্যামেরন৷

কৃষণ আশা প্রকাশ করে বলেন, গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে আরো কার্যকর নীতিমালা তৈরির মাধ্যমে লেভিসন তদন্তের সমাপ্তি ঘটবে৷ তিনি জানান, ‘‘বর্তমানের চেয়ে আরো ভালো ব্যবস্থা আমাদের প্রয়োজন৷ এমন একটা ব্যবস্থা যেখানে আরো বিস্তৃত নীতিমালা থাকবে, তবে তা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা খর্ব করবে না৷ বরং যেখানে অপকর্ম ধরা পড়বে, সেখানে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ থাকবে৷–”সম্পাদনা-সৈয়দ আতাউর রহমান(কবির)

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 sheshalo
Site Customized By NewsTech.Com