1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. stsauto2@gmail.com : শেষ আলো : শেষ আলো
শিরোনাম :
 বেরোবি-র  উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ৪৬ অভিযোগ সিলেটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা ২৮ জন যাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ বিশ্বকাপ সুপার লিগে শুরুতে জিতে ১০ পয়েন্ট পেলো বাংলাদেশ আলোচিত সাবেক এমপি আউয়াল ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ পূর্বপুরুষের দেশ কলকাতা এসে অভিনেত্রী বনিতা সান্ধু জানলেন, তিনি কোভিড আক্রান্ত নতুন ইতিহাসঃ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সম্পাদক ইলিয়াস খান ফাইজার ভ্যাকসিন গ্রহণের ১ সপ্তাহ পর নার্স করোনা পজিটিভ সরকার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য শীঘ্রই অধ্যাদেশ জারি করবে বাংলাদেশ ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের প্যানডেমিক প্যাকেজে ট্রাম্পের সই

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় বিদেশী শক্তি জড়িত ছিল ?

  • Update Time : Friday, November 7, 2014
  • 327 Time View

২১শে আগস্টের হামলা নিয়ে পাল্টাপাল্টি বক্তব্যের মাধ্যমে মূল ঘটনা আড়াল হয়ে যাচ্ছে । আইনপ্রতিমন্ত্রী কামরুল ইসলাম বলেছেন, “২১শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলাসহ রমনা বটমূল, উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমাহামলা, সিলেটে শাহজালাল মাজারে ব্রিটিশ হাইকমিশনাররের ওপর হামলা চালিয়েছে জঙ্গিরা৷ আর মুফতি হান্নানসহ জঙ্গিদের লালন পালন করছে হাওয়া ভবন৷ রিমোট কন্ট্রোল ছিল তাদের হাতে।” প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অভিযোগ করেন, “হামলার ঘটনায় বিরোধীদলীয় নেতা বেগম খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, ততকালীন মন্ত্রী ও বিএনপির প্রভাবশালী নেতারা যে জড়িত ছিলেন,আজ সেটা তদন্তে বের হয়ে আসছে।”

তবে, বিএনপি নেতারা আওয়ামিলীগসহ প্রধানমন্ত্রীর এ অভিযোগ নাকচ করে দিয়েছেন । দলটির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, “রাজনৈতিকভাবে হেয় করতেই তারেক রহমানসহ অন্যদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়া হয়েছে। মামলার শুরুতে নাম না থাকলেও পরবর্তীতে তারেক রহমানকে আসামী করতেই বার বার তদন্ত কর্মকর্তা পরিবর্তন করা হয়েছে। মুফতি হান্নানকে ১২০ দিন রিমান্ডে নিয়ে নির্যাতন করে তারেক রহমানের নাম বলানো হয়েছে। যা পরবর্তীতে অস্বীকার করেছেন মুফতি হান্নান। তিনিএ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও চেয়েছেন ।”

২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলায় আহত অনেকেই সারা জীবনের জন্য পঙ্গু হয়ে গেছেন৷ নিহতদের পরিবারে এখানো দুর্যোগ কাটেনি৷ আহত অনেকের বিদেশে চিকিত্‍সার প্রয়োজন, তাঁরা তিলে তিলে মৃত্যুর দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন৷ বিচার হলে শান্তনা পেতেন৷ কিন্তু সচেতন কোন মানুষই বিশ্বাস করেননা যে এই মামলার সঠিক বিচার কখনও হবে । কারন মামলার শুরুতে নাম না থাকলেও পরবর্তীতে সম্পূরক অভিযোগপত্রের মাধ্যমে তারেক রহমানকে আসামী করে মামলাটিকে হাস্যকর করাহয়েছে ।

ভিকটিম হিসাবে আওয়ামিলীগ তখনকার সরকারকে এঘটনার জন্য দ্বায়ী করবেন একথা যেমন সত্য, তেমনি সত্য হচ্ছে সরকারে থেকে বিএনপিকেও এ অকারেন্সের শতভাগ দ্বায়ভার বহন করতে হবে । সত্য মিথ্যা কোন অজুহাতই বিএনপি স্টান্ডিং করে বিএনপির ব্যার্থতাকে একচুলও আড়াল করতে পাররেনা, যেহেতু বিএনপি তখন ক্ষমতায় ছিল ।

ঘটনা ঘটার পরে এ পর্যন্ত তিনটি সরকার গরিয়েছে । প্রতিটা সরকারই তাদের নিজেদের মত করে বিষটি তদন্ত করেছে । বিএনপি-র আমলে এই হামলার ঘটনার পর তত্‍কালীন সরকার মালাটি ধামাচাপা দিতে চেয়েছিল ৷ জজ মিয়া নাটকসহ নানা নাটক সাজিয়ে প্রকৃত অপরাধীদের আড়াল করতে চেয়েছিল ৷ যা ছিল সম্পুর্ন অনাকাংখিত এবং বিএনপি সরকারের জন্য ছিল চরম লজ্জাস্করের বিষয় ।

এরপরে ২০০৭ সালে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে নতুন করে তদন্ত শুরু হয়। ২০০৮ সালের ১১ জুন আদালতে চার্জশিট দাখিল করে সিআইডি সিনিয়র এএসপি ফজলুল কবির। ঐ চার্জশিটে বিএনপি-জামায়াত জোট সরকারের উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু, তার ভাই মাওলানা তাজউদ্দিন, হরকাতুল জিহাদের (হুজি) নেতা মুফতি হান্নানসহ ২২ জনকে আসামি করা হয়। এই চার্জশিট তখন বিএনপি প্রত্যাখ্যান করলেও ব্যাপক জনগনের নিকট তা গ্রহনযোগ্য হয়েছিল ।

অত্যান্ত দৃষ্টিকটু বিষয় হলো ২০০৯ সালে মহাজোট সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর মামলার অধিকতর তদন্ত শুরু হয়। ২০১০ সালের ৩ জুলাই তারেক রহমান, হারিছ চৌধুরী, লুত্ফুজ্জামান বাবর, জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল আলী আহসান মোহাম্মাদ মুজাহিদসহ ৩০ জনকে নতুন আসামি করে সম্পূরক অভিযোগপত্র দেয় সিআইডি বিশেষ পুলিশ সুপার আব্দুল কাহার আকন্দ। ৫২ জন আসামির মধ্যে ২৫ জন গ্রেফতার হয়েছে। এদের মধ্যে ১৪ জন গ্রেফতার হয়েছেন র্যাবের হাতে। বাকিরা পুলিশের মাধ্যমে গ্রেফতার হয়েছেন।

আওয়ামিলীগ করেন অথবা ঘোর আওয়ামিলীগ সমর্থক এই ধরনের লোকেরা এতে সন্তোষ প্রকাশ করলেও সাধারন মানুষের ধারনা হয় যে এই সম্পূরক অভিযোগপত্রটি সম্পুর্নভাবে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে দমনের উদ্দেশ্য নিয়েই দেয়া হয়েছে । বিশেষ করে তারেক রহমানকে যে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে জড়ানো হয়েছে- একথা শুধু বিএনপি নয় আমজনতারও বুঝতে  বিশেষজ্ঞ হতে হয়নি । বিএনপি মনেকরে তাদের প্রথমশ্রেনীর সব নেতাদের মিথ্যামামলায় গ্রেফতার ও নেতৃত্ব শুন্য করে, এমপিহওয়ার যোগ্য ঐসব নেতাদের ফৌজদারী অপরাধে দন্ডদিয়ে নির্বাচনে অযোগ্য করার পায়তারা করছে সরকার ।

হামলা তদন্তে ততকালীন বিরোধী দলের সহায়তা চেয়েও না পাওয়ার কথা সবার মনে থাকার কথা, যা তখনকার মিডিয়ায় কিছুটা প্রকাশ ও প্রচার হয়েছে । যখন এ ঘটনা ঘটে তখন সরকার ততকালীন বিরোধী দলীয় নেতা শেখ হাসিনার সহায়তা চেয়েছিল। তদন্তের স্বার্থে তার কাছে থাকা বিভিন্ন তথ্য প্রমাণ চাওয়া হয়েছিল। তার ব্যবহৃত বুলেটপ্রুফ গাড়িটি গুলিতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠায় গাড়িটির নির্মাতারাও বিস্ময় প্রকাশ করে তা দেখতে চেয়েছিল। কিন্তু তা সরকারকে হস্তান্তর করা হয়নি। তাছাড়া অনেক বিষয় ছিল যেগুলোকে আড়াল করে রেখেছিল আওয়ামী লীগ। রাজনৈতিকভাবে এ হত্যাকাণ্ডটিকে ব্যবহার করার উদ্দেশ্যেই তারা সে সময় সহায়তা করেনি বলে অভিযোগ করেন বিএনপি নেতা সামসুজ্জামান দুদু। যদিও ততকালীন বিরোধী দলের সহায়তা চেয়েও না পাওয়ার কারনটা  কুলদীপ নারায়ার এর লেখায় ফুটে উঠে ।

ভারতীয় কূটনীতিবিদ এবং বিশিষ্ট কলাম লেখক কুলদীপ নারায়ার between the line blame game on নামক একটি লেখায় ১৫সেপ্টেম্বর ২০০৪ তিনি খালেদা জিয়া এবং শেখ হাসিনাকে উদ্দেশ করে লেখেন,

হাসিনা যার সাথে আমি প্রথম দেখা করি, তিনি বলেন কোনো সন্দেহ নেই যে এটা ছিলো সেনাবাহিনীর কাজ, যেখানে বাংলাদেশের স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি জড়িত ।এটি একটি গভীর ষড়যন্ত্র, ক্ষমতাসীন বিএনপির সর্বোচ্চ মহল জড়িত বলে সন্দেহ করেন। তিনি বলেন পাকিস্তানেরও এতে ভূমিকা আছে।

এরপর প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সাথে সাক্ষাৎকার টি ছিলো সম্পূর্ণ ভিন্ন । তিনি সকল অভিযোগ প্রত্যাখান করেন। তিনি বলেন কিছু দুঃখজনক ঘটনা ঘটেছে এবং আমাদের অবশ্যই খুঁজে বার করতে হবে কারা এতে জড়িত আছে । তিনি বলেন, অপরাধের মূল হোতাকে ধরার জন্য তিনি বিরোধীদলীয় নেত্রীর সহযোগিতা চান। তিনি সংসদে এই হত্যা প্রচেষ্টা নিয়ে বিতর্কের অনুমোদন দিয়েছেন । খালেদা জিয়া বলেন, আমি ওনাকে লিখিত ভাবে দেখা করার অনুরোধ করা সত্বেও শেখ হাসিনা অস্বীকৃতি জানান । হাসিনা বলেন, আমি খালেদাকে আমার এখানে আসতে বলিনি কারণ নিহতদের পরিবার আত্মীয় এখানে আছে তাতে যদি কিছু হয়ে যায়।
হাসিনা ইতিমধ্যে এফবিআইয়ের ইন্টারপোলকে তদন্তকাজে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে দোষী কারা তা খুঁজে বের করার বিরুদ্ধে ছিলেন না। তিনি বলেন কিন্তু কোথা থেকে তারা প্রমাণ পাবে কারণ সরকার যেখানে সব আলামত ধ্বংস করেছে। এফবিআই এবং ইন্টারপোল বাংলাদেশ টেলিভিশনের ফুটেজে পর্যবেক্ষণ করছে যা ঘটনার শুরুর সময় তার ক্যামেরার নিকটের একটি ভবনের তৃতীয় তলায় ছিল।ভিডিওতে অনেক চেহারাই ফুটে উঠেছে যাদের অনেকই  অপরাধী বলে গণ্য করা হয়। হাসিনা বলেন আমি কিছুই বুঝতে পারিনি, “কারণ গাড়িতে উঠার সময় আমার চশমা ভাঙ্গা ছিল” ।
আমি খালেদা জিয়াকে বলি যে, হাসিনার অভিযোগ যে আপনি আক্রমণের পিছনে ছিলেন তিনি জবাবে বলেন তাকে মেরে কি লাভ ?যেখানে আমি দেশ শাসনে ভালো করেছি । পুরো দেশ আমার নিয়ন্ত্রণে । দেশ শান্ত । আমরা বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ৪কোটি লোককে পুর্নবাসন করে দারুন কাজ করেছি । কেন আমি এমন কিছু করবো যা সবকিছু বিনষ্ট করে দেয়  ।
আমি (কুলদীপ) বিশ্বাস করি যে আপনি খালেদা এই জন্য ভারতকে দায়ী করবেন। খালেদা বলেন, সেটা সত্য নয় । তবে কিছু লোক এটা বলছে, আমি যখন খালেদা কে জিজ্ঞেস করলাম যে, কাউকে সন্দেহ করেন তা সত্বেও তিনি ভারত জড়িত নয় একথা বলেননি । তদন্ত এখনো চলছে সেটাই তিনি (খালেদা) বলতে চাইলেন । কিছুই বিরতির পর তিনি বললেন এটা বহিরাগতদের কাজ। আমি যখন জিজ্ঞেস করলাম তারা কারা  ? জবাবে তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের সদস্য যারা কলকাতা আছেন তারা ফেরত আসলে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। ”
যেকোন পেট্রিজম সরকারের উচিৎ ২১শে আগস্টের গ্রেনেড হামলার রহস্য উদঘাটন করা ।একটি বিষয় সবাই বুঝে যে, একটি সরকার কোনদিনও বুঝেশুনে নিজের বিপদ নিজে ডেকে কখনো আনবেনা । তৎ কালীন বিএনপি সরকার কেন বিরোধী দলের নেত্রীকে হত্যাকরে তাদের নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনবে? এমন প্রশ্ন জনমনে বিরাজমান । তাহলে বিষয়টা কি হতে পারে? অনেকেরই মনে থাকার কথা গ্রেনেড হামলার সাথে সাথে বিচার বিভাগীয় একটি তদন্ত কমিটি হয়েছিল । সে তদন্ত কমিটির পূর্নাঙ্গ রিপোর্ট প্রকাশ কিংবা প্রচার না হলেও গ্রেনেড হামলার পিছনে বিদেশীদের হাত রয়েছে এমন খবড় গনমাধ্যমে প্রকাশ হয়েছিল । তাহলে বিষয়টা তো আরো জটিল, আর এ জটিল বিষয় বাংলাদেশে সময় সময় ঘটে চলে বেশ নাটকীয় ভাবে । ১৯৮৮ সালের লালদিঘীর ময়দানে শেখ হাসিনার জনসভায় যে হত্যাকান্ড হয়েছিল, তারই ধারাবাহিকতায় ২১ শে আগষ্টের গ্রেনেড হামলা সংগঠিত হয়েছে বলে অনেকেই ধারনা করেন।

লক্ষনীয় যে, হামলাগুলি হচ্ছে একটি নিদৃষ্ট দলের বা আওয়ামীলীগের উপরে এবং তারা যখন কেবল বিরোধী দলেই থাকেন তখন । হামলার পরে আমরা বলছি শেখহাসিনার জীবননাশের জন্য হামলা করা হয়েছে । যদিও আল্লাহর অশেষ রহমতে শেখ হাসিনা প্রতিবারেই জানে বেচেঁ গেছেন, আমরা তার দীর্ঘায়ু কামনা করছি । কিন্তু আমাদের বিশ্লেষন যদি ভুলও হয় তবুও আওয়ামিলীগ সমর্থক সবারপ্রতি অনুরোধ করেযাই যদি কোন বাহিরের শক্তিও এ ধরনের সর্বনাশা হামলা চালিয়ে আওয়ামিলীগের প্রতি সিম্পেথি যোগান দেয়, সে সিম্পেথি ও কিন্তু স্থায়ী হয় না , বিষয়টা কিছুটা হলেও বিশ্বাসের ঘরে স্থান দিয়ে সরকার এবং সরকার বিরোধীদের অগ্রসর হতে হবে।

বলছিলাম বিএনপি সরকার কেন বিরোধী দলের নেত্রীকে হত্যাকরে তাদের নিজেদের বিপদ নিজেরা ডেকে আনবে?  বিরোধী দলের নেতা-নেত্রীকে গ্রেনেড হামলায় হত্যাকরে তো সরকার পার পাবেনা । পার পেতে হলে বিশ্বে অনেক নজীর আছে বড়বড় ষড়যন্ত্রমূলক সড়ক দূ্র্ঘটনা, হোক সে ফেরী কিংবা লঞ্চ দূ্র্ঘটনা, কিংবা আকাশ পথের কোন দূ্র্ঘটনা। আমাদের কোন নেতা-নেতৃর ভগ্যে কখনো এমন ঘটনা না ঘটুক। তাই দলনিরপেক্ষ  অবস্থান থেকে একথা বলা অযুক্তিক নয় যে,  বিগত বিএনপি সরকার ২১ আগষ্ট গ্রেনেড হামলার কোন পরকল্পনার সাথে জড়িত ছিলো না ।

কিন্তু জড়িত নাথেকেও কেন বিএনপি এর সঠিক বিচার করতে পারলো না ? কেন নাটক করলেন ? করন এ হামলা সত্যই কোন বিদেশী গোয়ন্দা সংস্থার সহয়তায় সংগঠিত হয়েছিল , যাদের নাম বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টে আসছে । বিএনপি কিন্তু ঐ দেশের নাম ভয়ে মূখেই আনেনি । তদন্ত কমিটির রিপোর্টে বিদেশী শক্তির নাম থাকায় ঐ রিপোর্ট প্রকাশই করা হয়নি । যেহেতু এই হামলার ফলে তৎকালীন বিরোধী দলের প্রতি পাবলিক সিম্পেথী বেড়ে গেছে তা সরকার অনুভব করতে পারছিলেন এবং আওয়ামিলীগের প্রতি পাবলিকের খারাপ ধারনা সৃষ্ঠির জন্যই তারা তখন জর্জ মিয়া নাটকসহ নানা নাটক সাজিয়ে প্রকৃত ঘটনাকে দূরে সরিয়ে রাখার চেষ্টা করছেন । অতি সম্প্রতি ভারতীয় পত্রীকায়- সি. রাজা মোহন ইংরেজী ভাষায় একটি নিবন্ধন লিখেন যে নিবন্ধের সিরোনাম হয় “ঢাকায় (বর্তমান) সরকার পরিবর্তন দিল্লির জন্য আত্মঘাতী”-তার নিবন্ধনটির মর্মকথা অত্যান্ত সত্য এবং যুক্তি যুক্ত ।

গ্রেনেড হামলা মামলার বিচার চলছে এখন৷ ৷ এই মামলায় তারেক রহমান, সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুত্‍ফুজ্জামান বাবর এবং মুফতি হান্নানসহ মোট আসামি ৫২ জন ৷ আর মোট ৪৯১ জন সাক্ষীর মধ্যে এখন পর্যন্ত ৭২ জন সাক্ষ্য দিয়েছেন। আইন বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মামলার বিচার কাজ সম্পন্ন করতে অন্তত একশ সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করতে হবে । এর আগে গত বছর ২১ আগস্ট পর্যন্ত এ মামলার ৬৩ জন সাক্ষী সাক্ষ্য দেন। আর এ বছর মাত্র ৯ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ শেষ হয়েছে। এ হিসাবে চলতি বছরের মধ্যে এ বিচার কাজ শেষ নাও হতে পারে বলে আইন বিশেষজ্ঞরা মন্তব্য করেছেন। তবে এ ব্যাপারে এ মামলার পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) সৈয়দ রেজাউর রহমান ‘আশা করছেন, এই বছরের মধ্যে এ মামলার বিচার কার্য শেষ হতে পারে’।-সৈয়দ আতাউর রহমান (কবির)  7Nov, 2014 @ 09:18

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 sheshalo
Site Customized By NewsTech.Com