1. litonsaikat@gmail.com : neelsaikat :
  2. stsauto2@gmail.com : শেষ আলো : শেষ আলো
শিরোনাম :
 বেরোবি-র  উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে দুর্নীতির ৪৬ অভিযোগ সিলেটে যুক্তরাজ্য থেকে আসা ২৮ জন যাত্রীর শরীরে করোনা পজিটিভ বিশ্বকাপ সুপার লিগে শুরুতে জিতে ১০ পয়েন্ট পেলো বাংলাদেশ আলোচিত সাবেক এমপি আউয়াল ও তাঁর স্ত্রীর সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ পূর্বপুরুষের দেশ কলকাতা এসে অভিনেত্রী বনিতা সান্ধু জানলেন, তিনি কোভিড আক্রান্ত নতুন ইতিহাসঃ জাতীয় প্রেসক্লাবের সভাপতি ফরিদা ইয়াসমিন, সম্পাদক ইলিয়াস খান ফাইজার ভ্যাকসিন গ্রহণের ১ সপ্তাহ পর নার্স করোনা পজিটিভ সরকার এইচএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য শীঘ্রই অধ্যাদেশ জারি করবে বাংলাদেশ ১৪ দিনের প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টিন বাধ্যতামূলক করছে, যুক্তরাজ্য থেকে আসা যাত্রীদের প্যানডেমিক প্যাকেজে ট্রাম্পের সই

গ্রীনিচ রেকর্ড ও ৫ জানুয়ারীর নির্বাচনঃ – সৈয়দ আতাউর রহমান (কবির)

  • Update Time : Monday, January 5, 2015
  • 259 Time View

৫ জানুয়ারী ২০১৫ (শেষআলো ডটকম):  সৈয়দ আতাউর রহমান (কবির)–৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচন যেটা বাংলাদেশের গনতন্ত্রের উপর কলঙ্কের কালো অক্ষর দ্বারা স্বলিখিত একটি কলো দিবস হিসাবে ইতিমধ্যে পৃথিবীর বুকে পরিচিতি লাভ করেছে। সেদিনটিকে গনতন্ত্রের কালোদিন হিসাবে চিহ্নিত না করে যারা গনতন্ত্রের বিজয়দিন ভাবতে চান তাদেরকে কোন বিশেষ বিশেষনে বিশেসায়িত করবো ভেবে পাচ্ছিনা।ঘৃনার অবয়অবে জড়ানো ঐ দিনটিকে গনতন্ত্রের বিজয়দিন ভাবা এযেন “কানা ছেলের নাম পদ্মলোচন” একই কথা ।

 

মনে থাকার কথা ঐ নির্বাচনের পরে ঘটা করে, সরকারী অর্থ ব্যায়ে বাংলাদেশ দুটি গ্রীনিচ রেকর্ড লাভ করেছিলো।যার মধ্যে জাতীয় পতাকা উত্তোলনে গ্রীনিচ রেকর্ডটি লাভের সাথে সাথেই ভঙ্গ হয়ে, লাভ করে অন্য একটি দেশ। অন্যদিকে ২৬ মার্চ স্বাধীনতা দিবসে আড়াই লক্ষ লোক একত্রে জাতীয় সংগীত গেয়ে অক্ষুন্ন রাখে অন্য গ্রীনিচ রেকর্ডটি।

আমি ভাবছি উদ্যোক্তারা এমন অনার্থক একটা নির্বাচনের পরে হঠাৎকরে এতো গ্রীনিচ রেকর্ড নিয়ে মাতমাতি কেন করছেন? বরং ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচনের পূর্বাপরে সরকারের সৃষ্ট এমন অনেক বৈশিষ্ট রয়েছে যে গুলি আমি নিচে উল্লেখ করছি, সে গুলি নিয়ে একটু ঘাটাঘাটি করলে তারা অনায়াসেই প্রতিটা বৈশিষ্ট দিয়ে একএকটা গ্রীনিচ রেকর্ড সৃস্টি করতে পারতেন ।

বৈশিষ্ট সমূহ যেমনঃ

 

নির্বাচনের ব্যতিক্রম আচারনঃ নির্বাচনের পূর্বে জোট সরকারের অংশিদার পতিত স্বৈরাচারের জাতীয় পার্টীর মন্ত্রীরা পদত্যাগ করলেও সরকার বললেন পদত্যাগ হয় নাই, একই ভাবে, জাতীয় পার্টীর প্রার্থী যারা নমিনেশন পত্র প্রত্যাহার করছিলেন অথচ সরকার ও তার আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন বললেন নমিনেশন পত্র প্রত্যাহার হয় নাই। এগুলি ছিল ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচন নিয়ে সরকারের প্রথম ধাপের আনুষ্ঠানিক ধাপ্পাবাজী। নির্বাচনের ইতিহাসে এ ঘটনা বিরল। এটাকী গ্রীনিচ রেকর্ডের উপাদান নয় ?

সংবিধানিক ব্যাক্তিত্ব যাদের ভোট দিতে হয়নিঃ প্রতিটা জাতীয় নির্বাচনের দিন ইলেকট্রনিক মিডিয়ায় ঘটাকরে প্রচার করা হয়ে থাকে প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী, প্রধান নির্বাচন কমিশনার, বিরোধী দলের প্রধান, কে কোথায় কয়টা কতো মিনিটে ভোট দিয়েছেন । সরকার দলের প্রধান ও বিরোধী দলের প্রধানকে আবার v ভি চিহ্নিত ছবি সহ দেখা যেত।প্রীন্ট মিডিয়ায় পরেরদিন ঐ ছবি সম্মিলিত রিপোর্ট ছাপা হতো কিন্তু ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচনে এসব ঘটেনি, কারন ঐ নির্বাচনেঃ-

দেশের প্রেসিডেন্ট ভোট দিতে যান নাই।
দেশের প্রধানমন্ত্রী ভোট দিতে যান নাই।
দেশের স্পিকার ভোট দিতে যান নাই।
দেশের প্রধান নির্বাচন কমিশনার ভোট দিতে যান নাই।
দেশের কোন নির্বাচন কমিশনার ভোট দিতে যান নাই।
দেশের প্রধান বিচারপতি ভোট দিতে যান নাই।
দেশের কোন রাজনৈতিক দলীয় প্রধান ভোট দিতে যান নাই ।
দেশের সরকারী দলের প্রধান ভোট দিতে যান নাই।
দেশের বিরোধী দলের প্রধান ভোট দিতে যান নাই।
দেশের সেনা প্রধান ভোট দিতে যান নাই।
দেশের পূলিশ প্রধান ভোট দিতে যান নাই।
দেশের নৌ প্রধান ভোট দিতে যান নাই।
দেশের বিমান প্রধান ভোট দিতে যান নাই।

পৃথিবীর নির্বাচনের ইতিহাসে এমন ঘটনা আর দ্বিতীয়টা নেই ।। এগুলি কী গ্রীনিচ রেকর্ডের উপাদান নয় ?

পর্যবেক্ষকঃ আধুনিক বিশ্বে যেকোনো নির্বাচনে আন্তজার্তিক পর্যবেক্ষক থাকে কিন্তু ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচনে আন্তজার্তিক পর্যবেক্ষক বলতে শুধু ভারতীয় পর্যবেক্ষকই অংশগ্রহন করছিল ।

বিনা প্রতিদন্দিতাঃ নির্বাচনের পূর্বেই সংবিধানিক ভাবে সরকার গঠন করা যায় এমন সংখ্যক অর্থাৎ ১৫১ আসনেরও বেশী ১৫৩ জন সংসদ সদস্য কে বিনা প্রতিদন্দিতায় নির্বাচিত ঘোষনা করাহয় ।পৃথিবীর নির্বাচনের ইতিহাসে এমন ঘটনাও আর দ্বিতীয়টা নেই ।এটাকী গ্রীনিচ রেকর্ডের উপাদান নয়?

 

যার পরিপেক্ষিতে ৯ কোটি ২১ লাখ ২৯ হাজার ৮২৫ জন মোট ভোটারের মধ্যে ৪ কোটি ৮২ লাখ ১৪ হাজা ৩৩০ জন (শতকরা ৫২ ভাগ) ভোটার তাদের ভোট প্রদানের অধিকার থেকেই বঞ্চিত হন। বাকী ৪৮ ভাগ ভোটারের সৈজন্যে ৫ জানুয়ারী ২০১৪ যে নির্বাচনটি অনুষ্ঠিত হয় তার একটা নমুনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ইউটিউবের মাধ্যমে আপনারা দেখে নিন । https://www.youtube.com/watch?v=NJ5l4DC2thI এই লিংকের মাধ্যমে কী ভাবে গনতন্ত্রের জানাজা অনুষ্ঠিত হলো । যদিও লিংকটির উপস্থাপন কৌশল কিছুটা বিতর্কিত তবে ভিডিও চিত্রগূলি কালের শাক্ষি।

ভোট হীন ভোট কেন্দ্রঃ যে সাধারন নির্বাচনে কোন দেশে একটি নতুন সরকার গঠন করা হয়, পৃথিবীর ইতিহাসে তেমন কোনো দেশ নাই যেখানে সেরকম একটি সাধারন নির্বাচনে ৪৪ টি ভোট কেন্দ্রে একটি ভোটও কাষ্ট হয় নাই, যা বাংলাদেশে ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর সাধারন নির্বাচনে সংঘটিত হয়েছে।এটাকী গ্রীনিচ রেকর্ডের উপাদান নয়?

 

নির্বাচনী মজার কৌতুকঃ ৫ জানুয়ারী ২০১৪ নির্বাচনের পূর্বে বিএনপির নেতৃত্বে ১৮ দলীয় জোটকে বাদ দিয়ে নির্বাচন করার সব আয়োজন যখন শেয তখনই ভারতীয় সরকার তথা আমলাদের বাংলাদেশের নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের কথা ফাঁসকরে দেন এরশাদ এবং মহাজোট ছাড়ার ঘোষণা দেন। অবশেষে এই আওয়ামীলীগ এরশাদকে অসুস্থবলে সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) আটকে রেখে রওশন এরশাদের নেতৃত্বে জাতীয় পার্টিকে নির্বাচনে অংশ নিতে বাধ্য করে। মজার বিষয় সিএমএইচ এ তখন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টারা নিয়মিত স্বপরিবারে এরশাদকে দেখতে যেতেন এবং দেনদরবার চালাতেন।আরো মজার বিষয় সিএমএইচ এ আটক এরশাদ নিয়মিত গলভ খেলতেন, পত্রপত্রিকায় গলভ খেলার সেই স্বচিত্র প্রচার হওয়ায় সরকারের বর্তমান নৌপরিবহন মন্ত্রী টকশোতে বললেন গলভ খেলা অসুস্থ এরশাদের চিকিৎসারই একটা অংশ।নির্বাচনের ইতিহাসে এটা ছিলো আরও একটা হাস্যকর অধ্যায়।

১০ম সংসদ নির্বাচন নিয়ে একটা ছোট প্রশ্ন, তা হচ্ছে একটা প্রথা আছে, নির্বাচন চলাকালীন নির্বাচন কমিশনারা বিভিন্ন কেন্দ্র পর্যবেক্ষন করে তাদের পর্যবেক্ষন দিয়ে থাকেন নির্বাচন শেষ হওয়ার আগেই, তাদের পর্যবেক্ষনে যেখানে যতটুকু তথ্যপান তাদিয়ে ভোট কাষ্টের একটা ধারনা দিয়ে থাকেন। কিন্তু ১০ম সংসদ নির্বাচনে নির্বাচন কমিশন ভোট কাষ্টের হার জানাতে তো পারলেনই না বরং রিমূট এড়িয়ার কেন্দ্রগুলির ভৌতিক ভোটের মাধ্যমে তিলকে তালবানিয়ে দুইদিন সময় নিয়ে  কেন ভোট কাষ্টের হার প্রকাশ করতে হলো ?

 

৫ জানুয়ারীর নির্বাচন জাতির স্মৃতির স্টোরে ভাইরাসে আক্রান্ত এক লজ্জজনক ছবি। এমন একটা নির্বাচনের হ্যাপীবার্থডে পালনের মধ্যো দিয়ে সরকার মূলতঃ তদের নিজেদের নাক কেটে বিএনপির যৌক্তিক আন্দোলনের কর্মসুচী বাতিল করতে চাচ্ছে। সরকারের ভীষন ভয় এই ভয় শুধু ৫ জানুয়ারী ২০১৪ এর নির্বাচনের পর থেকেই নয়, সেই ভয়টা শুরু ৯ম সংসদ নির্বাচনের পর থেকেই ।কারন তারা জানে ৯বম সংসদ নির্বাচন কী প্রক্রিয়ায় হয়েছিলো ।তাই তো প্রধানমন্ত্রী সংবাদ সন্মেলনে খুব কৃতিত্বের সাথেই বলে থাকেন যে, তারা ইচ্ছে করলেই বিএনপির পরিবর্তে জাতিয় পার্টীকে প্রধান বিরোধী দল বানাতে পারতো ।তার হাতে সেই পরিমান ক্ষমতা ছিলো । কতো ভয়াবহ কথা এই লিংকে পাবেন এর সত্যতা।  । https://www.youtube.com/watch?v=j1G7Rqt8ir0

২০০৯ এর পরে বিএনপিকে খুব সহজে কোনো গুরুত্বপূর্ন জনসভা কিংবা সমাবেশ করতে দেয়নি তাই সরকার ।প্রত্যেকটি সমাবেশের পারমিশন দিতে সরকারের পূলিশ বাহিনীর ছিলো যথেষ্ঠ অনিহা, সমাবেশ শূরুর এক ঘন্টা পূর্বে সমাবেশের পারমিশন মিলতো । লঞ্চ বাস ট্রেন চলাচলের উপর সরকারী নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকারী হড়তালের মধ্যদিয়ে সভা সমাবেশের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা হতো এ আর নতুন কী ?

 

বিএনপি বলছেন, ইদানিং খালেদা জিয়ার সমবেশে গনবিস্ফোরন দেখে সরকার  বেশী শংকিত । সরকার তাই চাচ্ছেনা এইমূহূর্তে খালেদা জিয়া কোন সমাবেশ করুক । তাই পূর্বো ঘোষিত বিএনপির সমাবেশের অনুমতি থাকা সত্তেও, গাজীপুরে ফ্যাঁসিষ্ট হয়েছে সরকার, আরো একবার। আমরা কল্পনাও করতে পারিনি খালেদা জিয়ার জনসভাকে পন্ড করতে ছাত্রলীগ কে ব্যবহার করে সরকার ১৪৪ ধারা জারী করে সরকারের ডার্টী পলিটিক্সকে প্রকাশ্যে প্রকাশ করে দিবেন ।

এই ধারাবাহিকতায় সরকার আগামী কালকের ৫ জানুয়ারী ২০১৫ বিএনপির গনতন্ত্রের কালোদিবসের সকল পরিকল্পনা পন্ড করতে যা যা করার তা ইতিমধ্যে সম্পন্ন করছেন । ধরপাকড় বাদ দিলেও ,আবার নৌপথে লঞ্চ সড়কপথে বাস চলাচলের উপর সরকারী নিষেধাজ্ঞা দিয়ে সরকারী হড়তালের মধ্যদিয়ে ইতি মধ্যে গোটা দেশ থেকে ঢাকা শহরকে বিচ্ছিন্ন করা সম্পন্ন হয়েছে । গতকাল রাত থেকে বিএনপির চেয়ার পার্সনের গুলশান অফিসেই খালেদা জিয়াকে সরকারি পূলিশ বাহিনী অবরুদ্ধ করে রাখছেন ।

 

এতো সেই পূরোনো চিত্র মনে আছে নিস্চই দেশকাপানো “মার্চ ফর ডেমোক্রাসী” প্রোগ্রামের কথা ।“মার্চ ফর ডেমোক্রাসী” প্রোগ্রামে সরকারের ঘুমহাড়াম হয়েছিলো ২০১৩ এর ২৯ ডিসেম্বর ।তাই বেগম খালেদা জিয়ার সরকারি প্রটোকল প্রত্যাহার করে তার বাসভবনের সামনে আট প্লাটুন পুলিশ দিয়ে তার বাড়িটি ঘিরে রেখে জলকামান এবং বাড়ির সামনের রাস্তায় বালুভর্তি তিনটি ট্রাক ও পেছনের রাস্তায় দুটি ট্রাক আড়াআড়ি ভাবে রেখে সড়ক বন্ধ করে দেওয়া হয়েছছিলো ২৮ ডিসেম্বর ২০১৩ থেকে ৮ জানুয়ারী ২০১৪ পর্যন্ত । বাড়ির সামনে সাংবাদিকদের ও যেতে দেওয়া হচ্ছিলো না। আর এরই মধ্যে জন্ম নিয়েছিলো একাধিক গ্রীনিচ রেকর্ডের যোগ্য ৫ জানুয়ারী ২০১৪ নির্বাচন ।সে নির্বাচনকে গনতন্ত্রের কালোদিবস কিংবা গনতন্ত্রের বিজয়দিবস যাই বলুন না কেন ঐ নির্বাচনের মাধ্যমে জন্ম নেওয়া সরকারের ১ম হ্যাপীবার্থডে যে প্রক্রিয়ায় পালন করছে সরকার, তার মধ্যো দিয়ে সরকারের দেউলিয়া চিত্র ফূটে তুলছে, আর আইসিইউতে গনতন্ত্র সব মহলের দোয়া কামনা করছে।

সর্বশেষঃ স্মরন করছি সেই বিনিদ্র রাত্রির ডাইরী লেখার কথা : “এখন ৪ জানুয়ারী পেরিয়ে আমরা ৫ জানুয়ারী তে পদার্পন করছি। টিভি স্ক্রলে দেখতে পাচ্ছি অবরুদ্ধ খালেদা জিয়ার অফিসের সামনে সিটি করপরেশনের দুটি ময়লার গাড়ী ও জলকামানের পরে নতুন যোগ হয়েছে ৬ টি বালু ও ইট ভর্তী ট্রাক। উল্লেখ্য গত ডিসেম্বরের শেষ দিকে পূলিশ র্যাবের শীর্ষ পদে নতুন মূখ যোগ দিয়েছেন । নতুন মূখের কর্মকর্তাদের মধ্যেও রেকর্ড করার প্রবনতা লক্ষকরা যাচ্ছে । সরকার প্রধান বলছেন খালেদা নাটক করছেন, তিনি ইচ্ছে করে বাসায় যাচ্ছেন না। অপ্রসংগিক এবং রুচীহীন ভাবে তিনি পূর্বানী হোটেল প্রসংগ উত্থাপন করছেন । তাহলে ৬ টি বালু ও ইট ভর্তী ট্রাক কী সত্যই পূলিশ কমিশনারের পূর্বের রেকর্ড ভেঙ্গে খালেদা জিয়াকে অবরুদ্ধ করে রাখার নতুন রেকর্ডের চেষ্টা ।”   আমি দুঃখিত কারন ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন নিয়ে এক পেশে এই লিখাটা আমাকে লিখতে হলো ।আসলে ৫ জানুয়ারীর নির্বাচন নিয়ে সত্য কথা লিখতে গেলে সে লেখাটা হবে এই লেখার  ঠিক কার্বন কপি ।

Please Share This Post in Your Social Media

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

More News Of This Category
© All rights reserved © 2020 sheshalo
Site Customized By NewsTech.Com